শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ আরও বাড়ানো দরকার- ঢাবি উপাচার্য

শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ আরও বাড়ানো দরকার- ঢাবি উপাচার্য

71
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ আরও বৃদ্ধির আহŸান জানিয়ে বলেছেন, দক্ষ জনবল ছাড়া সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। দক্ষ জনবল তৈরীর লক্ষ্যেই শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত। আজ ১২ জুন ২০১৮ মঙ্গলবার অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত বাজেট পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচনায় অংশ নেন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিক উজ্ জামান, কমনওয়েলথ সচিবালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শাখার সাবেক প্রধান ড. এম এ রাজ্জাক ও বিআইডিএস-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যথাসময় বাজেট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিস্তারিত মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের জন্য সংসদে উপস্থাপনের আগেই তিনি জাতীয় বাজেটের তথ্যাবলি জনসম্মুখে প্রকাশের পরামর্শ দেন।

মূল প্রবন্ধে কাক্সিক্ষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থিক বৈষম্য নিরসন করে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহŸান জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন। ভ্যাট, কাস্টম ডিউটি ও আয়কর খাতে কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কার না করে ৩০ ভাগ রাজস্ব আদায় সম্ভব নয় বলেও প্রবন্ধে মন্তব্য করা হয়। ব্যাংকিং খাতে প্রণোদনা দানের বিষয়টি রাজস্ব খাতে অস্থিরতা আনবে উল্লেখ করে প্রবন্ধকার বলেন, দ্রæত সংস্কার কমিশন গঠন করে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও অস্থিরতা দূর করতে হবে। জাতীয় বাজেটের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও অপচয় রোধে তিনি অর্থবছরের সময়সীমা জুলাই-জুন এর পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ করার প্রস্তাব দেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY