ঢাবি জগন্নাথ হলে ২৫মার্চ কালরাত ও গণহত্যা দিবস স্মরণানুষ্ঠান

ঢাবি জগন্নাথ হলে ২৫মার্চ কালরাত ও গণহত্যা দিবস স্মরণানুষ্ঠান

68
0
SHARE

১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কালরাত ও গণহত্যা দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হলে নিহত শহীদদের স্মরণে হল প্রাঙ্গণে গত ২৫ মার্চ ২০১৮ রবিবার এক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম। জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. অসীম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণানুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, কালরাত ও গণহত্যা দিবস পালন কমিটির আহবায়ক ড. তাপস দেবনাথ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন কর্মকার, এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোল্লা মো. আবু কাওছার, পঙ্কজ নাথ এম পি, প্রমুখ। এছাড়া জগন্নাথ হলসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বিপুল সংখ্যক সদস্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল, রোকেয়া হল ও জগন্নাথ হল ২৫ মার্চ কালরাতের আক্রমণের শিকার হয়েছিল। জগন্নাথ হলে পাক সেনাদের আক্রমণ সাম্প্রদায়িকতার পৈশাচিক বহিঃপ্রকাশ। সেই অন্ধকার দূরীভূত করতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের প্রতিকী কর্মসূচী পালন করা হয়। এই আলো অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সমাজ নির্মাণের আলো। প্রতি বছরই ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহীদদের স্মরণ করে এবং শ্রদ্ধা জানায়। উপাচার্য সেই রাতে পাক সেনাদের নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি আহŸান জানান।

এর আগে রাত ৯টায় ২৫ মার্চ কালরাত স্মরণে ১মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে ‘বøাক-আউট’ কর্মসূচি পালন এবং  জগন্নাথ হল গণসমাধিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এছাড়া, দিনব্যপী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে ছিল স্থাপনা শিল্পের প্রদর্শন (ইনস্টলেশন আর্ট), পদাতিক নাট্য সংসদের নাটক ‘কালরাত্রি’ মঞ্চায়ন ও মশাল প্রজ্জ্বলন। বিশিষ্ট শিল্পীদের দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মাধ্যমে শেষ হয় এই স্মরণানুষ্ঠান।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY