ঢাবি-এ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে অলোচনা সভা

ঢাবি-এ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে অলোচনা সভা

51
0
SHARE

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে আজ ১৭ মার্চ ২০১৮ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করে। এ উপলক্ষে আজ ১৭ মার্চ ২০১৮ শনিবার রাত ১২:০১ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রাঙ্গণে কেক কেটে উৎসবের শুভ সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান।

সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পু®পস্তবক অর্পণ করেন। পরে উপাচার্যের সভাপতিত্বে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে “বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন : রঙ ছড়ানো আলো, লাল-সবুজের বাংলাদেশে থাকবে শিশু ভালো” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রুবাইয়াতুল ইসলাম, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ আলী আকবর, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম হোসেন শেখসহ কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি এবং চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান আলোচনা সভা পরিচালনা করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার স্বীকৃতি সহ সামনে এগিয়ে যাওয়ার ইতিবাচক সম্ভাবনা এ সবকিছুর কৃতিত্ব বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের ফলে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সংযুক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, এ দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করার একটি তাৎপর্য আছে। সরলতা ও সততা বঙ্গবন্ধুর জীবনের শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য যা তার কিশোর বয়স থেকেই লক্ষণীয়। তাঁর জীবনের যে মৌলিক দর্শন তা শিশুদের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারলে সে ভবিষ্যতে ভাল মানুষ হয়ে সমাজ পরিবর্তনে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আজ বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদসহ আবাসিক হল, হোস্টেল, মসজিদ ও উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া, চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে সকালে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের ক্যাফেটেরিয়ায় চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY