ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন

19
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কৃতী শিক্ষক ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ লাভ করায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শনিবার বিকেলে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি এক সংবর্ধনা প্রদান করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় অধ্যাপক ড. সুফিয়া আহমেদ শারিরীক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে না পারায় ভিডিও বার্তায় তার ছাত্র নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে অভিনন্দন জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নাজমা খান মজলিশ। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবনম শেহনাজ চৌধুরী দীপা। বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমানের সঞ্চালনায় উপাচার্যের উদ্দেশ্যে লেখা অভিনন্দনপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন তুলে ধরেন এ কে এম খাদেমুল হক এবং মো. আবদুর রহিম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে শুভেচ্ছা জানান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম, অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া, সমিতির উপদেষ্টা মন্ডলীর জ্যৈষ্ঠ সদস্য আনোয়ারুল হক খান মজলিশ প্রমুখ। এসময় উপাচার্যের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কলা অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ সহ অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বক্তব্যের শুরুতেই তাঁর শিক্ষকদের কথা স্মরণ করে বলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি গর্বিত। নিজ পরিবারের সংবর্ধনার অনুভূতি একটু অন্যরকম এবং সেজন্য আয়োজকদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সমস্যা প্রসঙ্গে উপাচার্য তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এ মুহুর্তে আমরা একটি মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছি। মায়ানমার সরকার ও তাদের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগে বাধ্য করছে যা একটি গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার মতো ঘৃণ্য কাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাব অনুযায়ী জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধ করে মায়ানমারে তাদের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার আহবানের সাথে সহমত পোষণ করে তিনি বলেন, সাড়ে আট লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দেওয়া থেকে বোঝা যায় আমরা কতোটা উদার ও অসাম্প্রদায়িক। উপাচার্য আরও বলেন, বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একে অন্যের সাথে যুক্ত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে ও চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ গণতন্ত্রের সুতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। উপাচার্য সকলকে নিয়ে কাজ করার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY