ঢাবি ক্যাম্পাসে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন

ঢাবি ক্যাম্পাসে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন

37
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচীর সঙ্গে শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, পরিকল্পিত পরিবার ও মান সম্পন্ন জাতি গঠনের ক্ষেত্রে শিক্ষাই একমাত্র হাতিয়ার। যথাযথ শিক্ষাই সবচেয়ে বড় জন্মনিরোধকের ভূমিকা পালন করতে পারে। জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকেই বাল্য বিয়ের কুফল ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক পাঠক্রম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে গত ১১ জুলাই ২০১৭ মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ আয়োজিত “Family Planning: Empowering People, Developing Nations” শীর্ষক সেমিনারে উপাচার্য প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখছিলেন। ইউএনএফপিএ’র সহযোগিতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো: আমিনুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া বিশেষ অতিথি এবং পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের প্রভাষক নুশরাত জাফরিন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত পরিসংখ্যান  তুলে ধরে বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশে ৫০ লাখ বাল্যবিয়ে হয়ে থাকে। এর ফলে জনসংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। যথাযথ শিক্ষার অভাবেই সমাজে বাল্য বিয়ের হার বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষিত পরিবারে বাল্য বিয়ের হার অনেক কম। তিনি বলেন শুধু জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী বিতরণ করে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো সম্ভব নয়। এজন্য ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে জনসংখ্যা কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে এক্ষেত্রে সফলতা অর্জন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে “Family Planning: Empowering People, Developing Nations” শীর্ষক আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY