ঢাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

ঢাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

42
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২ আগস্ট ২০১৭ বুধবার উদযাপিত  হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “সত্যের সন্ধানে ব্রতী, সদা জাগ্রত আমরা”। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল র‌্যালি, আলোচনা সভা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান। উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

বিভাগের ৫৫বছর পূর্তি উপলক্ষে আরসি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে “জনগণের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মিথস্ক্রিয়া: মাধ্যম ও প্রতিপাদ্য” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান।  এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান, অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, অধ্যাপক আখতার সুলতানা, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমীন ও সহ- সভাপতি কাজী রওনক হোসেন বক্তব্য রাখেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক মানব কল্যাণ ও সত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করার জন্য গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহŸান জানান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ ও ফরমায়েশি সাংবাদিকতা কাম্য নয়। অপসাংবাদিকতা সমাজ, দেশ তথা মানব সভ্যতাকে কলুষিত করে। শোকের মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, তাঁর ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণে যোগাযোগের সকল তত্তে¡র প্রয়োগ ছিল। বন্ধবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সত্যনিষ্ঠ ও পরিপূর্ণ মানুষ হিসাবে গড়ে ওঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহŸান জানান।

মূল প্রবন্ধে সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন  গণমাধ্যম বান্ধব মহান রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতেন। কারো সঙ্গে তিনি রুঢ় আচরণ করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে যারা কলম ধরেছিলেন, তাদেরকেও তিনি অসম্মান করেননি।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া, পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY