ঢাবি-এ ‘বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস’ উদযাপিত

ঢাবি-এ ‘বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস’ উদযাপিত

51
0
SHARE

‘বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস-২০১৭’ উদযাপন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালন করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচী। বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগ, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতাল এবং ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এ উপলক্ষে আজ ২১ মার্চ ২০১৭ মঙ্গলবার সকালে এক র‌্যালি অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
র‌্যালি পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আজিজ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: সরদার এ. নাঈম, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সরদার এ. রাজ্জাক। যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরপি কনস্ট্রাকশন (প্রাঃ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া, সুইড বাংলাদেশ, ধানমন্ডি শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল মুনির প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক সংকলন ‘ডাউন সিনড্রোম ভয়েস’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ। এ বছর ‘বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আমাদের কন্ঠস্বর, আমাদের সমাজে, সরকারের সব কাজে, ডাউন সিনড্রোমকে রাখবে পাশে’।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, প্রকৃতির মাঝে অনেক ধরনের ডিজঅর্ডার আছে তেমনি মানুষের মধ্যেও রয়েছে নানা বৈকল্য। এই ডিজঅর্ডার কিংবা বৈকল্যকে শৃঙ্খলায় নিয়ে আসার জন্য, এই বৈকল্যকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ-স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সারা বিশ্বে চলছে নানা গবেষণা। সমাজে মানুষের মাঝে সংবেদনশীলতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। পরিবার ও ব্যক্তিপর্যায়ে এই সংবেদনশীলতাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগ খোলার উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি করা। যারা এসব ডাউন সিনড্রোম শিশু-কিশোরদের নিয়ে কাজ করবে এবং তাদের মধ্য থেকে সম্ভাবনা বের করে আনবে। কেননা প্রতিটি শিশুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও সম্ভাবনাময়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY