ঢাবি-এ ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ঢাবি-এ ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

40
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম-এর ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান আজ ১৩ মার্চ ২০১৭ সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনস্থ অ্যালামনাই ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় গবেষণা ব্যুরোর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিক আহমেদ সিদ্দিক, বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন গ্রন্থের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান একাত্তর প্রকাশনীর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি আবু আলম মো. শহীদ খান প্রমুখ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে দেশ জয় এবং বিশ্ব জয় করেছিলেন সুদর্শন ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার ভাষণ শুনতে লক্ষ লক্ষ মানুষ সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হয়েছিল। ইতিহাস সবসময় থাকবে এবং বঙ্গবন্ধু মানুষের হৃদয়ে বিরাজ করবেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক শুরুতেই বঙ্গবন্ধুসহ মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগণিত শহীদ শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের আত্মত্যাগের কথা। গ্রন্থ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, লেখক তাঁর গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর কিছু দুর্লভ ছবি ছাড়াও তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবন তুলে ধরেছেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। নতুন প্রজন্ম যাদের বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি তাদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি, আদর্শ ও দর্শনকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।পরিশেষে উপাচার্য গ্রন্থকারকে এ গ্রন্থ রচনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY