ঢাবি চারুকলা অনুষদে বাংলাদেশ-চীন যৌথ সিরামিক প্রদর্শনী ও কর্মশালা

ঢাবি চারুকলা অনুষদে বাংলাদেশ-চীন যৌথ সিরামিক প্রদর্শনী ও কর্মশালা

38
0
SHARE

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মৃৎশিল্প বিভাগের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ-চায়না গ্রুপ সিরামিক প্রদর্শনী’ শীর্ষক বাংলাদেশ ও চীনের শিল্পীদের দলীয় প্রদর্শনী ও কর্মশালা গতকাল ১৭ জানুয়ারী ২০১৭ মঙ্গলবার উদ্বোধন করা হয়। চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে ৪দিন ব্যাপী প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। মৃৎশিল্প বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন প্রমুখ। চীনা শিল্পীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন গাও ইয়ানহুই।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫০ সালে ২১দিনব্যাপী চীন সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ ও গণচীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অনেক পুরাতন। চীনের রাষ্ট্রপতির ঢাকা সফরের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনের প্রসঙ্গ স্মরণ করে উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চীনের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যায়তনিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চীনের সাথে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে উপাচার্য অভিমত ব্যক্ত করেন। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে চলমান চীনা ভাষার বিভিন্ন কোর্স এবং এখানে চীনাদের বাংলা ভাষা শিক্ষার যে প্রক্রিয়া চলছে তা এই সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর উপাচার্য অতিথিদের নিয়ে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মৃৎশিল্প বিভাগের আমন্ত্রণে চীন থেকে আগত ৪জন স্বনামধন্য মৃৎশিল্পী ও সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃৎশিল্প বিষয়ে পিএইচডি গবেষণারত গবেষক এই দলীয় প্রদর্শনী ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছেন। শিল্পীরা হলেন- ঝাং লিহং, ঝাও লিউ, ডং ঝুয়াংঝুয়াং এবং গাও ইয়ানহুই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎশিল্প বিভাগের অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা হলেন- ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, মো: রবিউল ইসলাম, স্বপন কুমার সিকদার, দেবাশীষ পাল, মোহাম্মদ সাব্বির-আল রাজী এবং চিন্ময়ী সিকদার।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY